Visiting & make your knowledge https://www.aziz420.com/2023/08/blog-post_8.html

আম গাছের চারা রোপন সম্পকিত কিছু তথ্য জেনে নেই

আম একটি অতি জনপ্রিয় এবং গ্রীষ্মকালীন সুস্বাদু ফল। আমকে ফলের রাজা বলা হয়। কম বেশি সকল দেশে আম গাছ দেখতে পাওয়া যায়। দিনকে দিন এই সুসাদু ফলের চাষ বাড়ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে আমের সুনাম সারা দেশ জুরে ছরিয়ে পরেছে আমের সাদ ও মিষ্টি ফল  হওয়াই এর চাহিদা ব্যাপক। 


আজ আমি আপনাদের সাথে আম চাষের পদ্ধতি নিয়ে  কিছু আলোচনা করব। এতে করে আপনারা সহজেই আম চাষের বিস্তারিত জানতে পারবেন। আসুন জেনে নেই কিভাবে এই মধুর ফলটি  চাষ করতে হয় -

সূচিপত্র:আম গাছের চারা রোপন সম্পকিত কিছু তথ্য জেনে নেই 

  • ভূমিকা
  • আমকে রাজা কি? 
  • আম কত প্রকার?
  • মাটি নিবাচন
  • আম কিভাবে চাষ করতে হয়?
  • আম গাছে কি সার দিতে হবে?
  • বারি ৪ আম কেমন? 
  • আমের মুকুল আসার সময় কখন?  
  • আমের মুুকুল আসার সময় কখন? আমের রাজা কি? 
  • কোন আম বেশি মিষ্টি? 
  • বাংলাদেশে প্রথম আমের চাষ শুরু হয় কোথায়? 
  • দেহের রোগ প্রতিরোধে আমের ভূমিকা
  • শেষ কথা
ভূমিকা

আমের রাজা কি? 

আম পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দাই। বিশ্বে যে জেখানেই  থাকুক না কেন এক বরা আম খেল এর স্বাদ ভূলাটা বেশ দুরহ। বিশেষ করে বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে আমের স্বাদ ও মিষ্টান এক বার খেলে বার বার খেতে মন চাবে। মূলত গ্রীষ্মকালীন প্রচন্ড তাপদাহ পরে  এই  ফলটি পাওয়া যায় যা সুস্বাদ ও মিষ্টান। এই কারনে আমকে ফলর রাজা বলা হয়।
 
আম কত প্রকার?

কয়েকশ জাত আম  রয়েছে। যেমনঃ গোপালভোগ, খিরসাপাত, ফজলি, ল্যাংড়া,  অরুনা, মল্লিকা, সুবর্নরেখা, কাঁচামিঠা,মিশ্রিদানা, নিলাম্বরী, কালীভোগ, , আলফানসো, হাড়িভাঙ্গা,বারোমাসি, তোতাপুরী, কারাবাউ, কেঊই সাউই, গোপাল ভোগ,আদাইরা,  কেন্ট, সূর্যপূরী, পাহুতান, ত্রিফলা,  ছাতাপরা, গুঠলি, লখনা, ইদুরকাটি, আম রূপালি.কলাবতী ,বারি -১,বারি -২ ইত্যাদি।

মাটি নিবাচন

আম গাছ লাগাবার জন্য  গভীর, সুনিষ্কাশিত, উবর দো-আঁশ মাটি আম চাষের জন্য ভাল। বৃষ্টির পানি জমে থাকে না,উচু বা মাঝারি ও রোদ্রউজ্জল এমন জমি নিবাচন করতে হবে। জমিতে কয়েকবার চাষ ‍ও আগাছামুক্ত করতে হবে। আমের জাত ভেদে বিঘা পতি আম গাছ আগাতে হয়।

আম কিভাবে চাষ করতে হয়?

জাতভেদে আম গাছের রোপণ দূরত্ব ১২×১২  মিটার; ১০×১০ মিটার এবং ৬×৬ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে সাধারনত প্রতি গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ৮ থেকে ১০ মিটার রাখতে হয়। ষড়ভূজি পদ্ধতিতে আম চারা রোপণ করলে ১৫ ভাগ চারা বেশি রোপণ করা যায়। জৈষ্ঠ্য থেকে আষাঢ় (মধ্য মে থেকে মধ্য জুলাই) এবং ভাদ্র-আশ্বিন মাস (মধ্য আগস্ট থেকে মধ্য অক্টোবর) চারা রোপণের উপযুক্ত সময়।

 আম গাছে কি সার দিতে হবে?

নতুন গাছের জন্য ১×১×১ গর্তে সারের পরিমাণ গোবর ১৫ কেজি, ইউরিয়া ২০০ গ্রাম, টিএসপি সার ৫০০ গ্রাম, এমওপি সার ২০০ গ্রাম, জিপসাম সার ২০০ গ্রাম, জিংক সালফেট সার ৪০ গ্রাম প্রয়োগ করতে হয়। গর্ত ভর্তির ১০-১৫ দিন পর চারার গোড়ার মাটির বলসহ গর্তের মাঝখানে রোপণ করতে হবে।
 

একটি পূর্ণ বয়স্ক ফলন্ত আম গাছে বছরে ৪০ কেজি জৈব সার, ২১কেজি ইউরিয়া, ৫০০গ্রাম টিএসপি, ৪০০ গ্রাম এমওপি, ৩০০ গ্রাম জিপসাম ও ২০ গ্রাম জিংক সালফেট প্রয়োগ করতে হবে। উল্লেখিত সার ২ ধাপে প্রয়োগ করতে হবে। প্রথমবার জৈষ্ঠ্য-আষাঢ় মাসে এবং দ্বিতীয়বার আশ্বিন মাসে প্রয়োগ করতে হবে।

আমের মুুকুল আসার সময় কখন? 


বারি ৪ আম কেমন?

কোন আম বেশি মিষ্টি? 

বাংলাদেশে প্রথম আমের চাষ শুরু হয় কোথায়

দেহের রোগ প্রতিরোধে আমের ভূমিকা 

শেষ কথা  
গাছ আমাদের প্রকৃত বন্ধু। গাছ তার সকল উপাদান দিয়ে মানব জাতিকে সহায়তা প্রদান করে থাকে। এখানে গাছ বলতে আম গাছকে  শুধু বলা হচ্ছেনা সকল গাছকে বোঝানো হয়েছে। 

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া