Visiting & make your knowledge https://www.aziz420.com/2023/08/blog-post_10.html

আমাদের দেশে শিক্ষা ব্যবস্থা কেমন হলে অস্বাভাবিক বেকারত্ব বিরাজ করবে না-

বর্তমান  শিক্ষা বলতে  আমরা কেবল স্কুল, কলেজ ‍কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী অজন করাকেই বুঝে থাকি। আমি আপনাকে এই পাঠে আমাদের শিক্ষা ব্যবন্থা সম্পকে একটি সম্মুক ধারনা প্রদান করবো বলে আশা করি। আমাদের সংবিধানে সকলের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে সাবজনিন করার কথা বলা আছে। প্রকৃতপক্ষে বাস্তবমুখি শিক্ষাব্যবস্থায় সরকার যত বেশি বিনিয়োগ করবে দেশের জনগন তত বেশি এর সুফল ভোগ করবে।


যে কোন একটি দেশের জনসংখ্যা সে দেশের সম্পদ বুঝা নয়। জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিনত করার জন্য বাস্তব,পরিকল্পিত কমমুখি ও সময় উপযোগি শিক্ষা ব্যবস্থা প্রনয়ন করা প্রয়োজন যা বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। বিভিন্ন ময়ের ব্যবধানে সেটাকে পরিবর্তিত হয়। এর জন্য একটি স্বাধিন দূরদিষ্টি সম্পন্ন শিক্ষা কমিষন গঠন করতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নতির শিখরে নিতে বিভিন্ন গবেষনা মূলক প্রতিষ্টান তৈরি করতে হবে।
ভূমিকা
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সমস্যা সমূহ


ভূমিকা
একটি গাছকে ছোট থেকে বড় করতে যে ভাবে সেবা যত্ন করে বড় করতে হয়, ঠিক তেমন জাতিকে তৈরি করতে অনেক বেশি প্রঙ্গাবান দূরদৃষ্টি সম্পন্ন কম কাঠাম প্রয়োজন। বৃহৎ পরিসরে আমাদের দেশের মৌলিক সমস্যা, নানাবিধ সংকট, জনগনের প্রকৃত চাহিদা, সম্ভাবনা ও সামর্থ্য কী, তা নিয়ে কি কখনো আমরা গবেষণা করা হয়েছে? আমাদের যে জাতীয় প্রজায়ে পাঠ বই ও টেক্সটবুক প্রদান করা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কিসের ভিত্তিতে নিয়মিত সিলেবাস পরিমার্জন করে হয়ে থাকে?এসব কারিকোলাম দিয়ে আমরা কি উপযুক্ত নাগরিক তৈরি করতে পেরেছি?


বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সমস্যা সমূহ
আমরা বিগদ ১৯০ বছর ইংরেজদের শাসনের অধিনে ছিলাম। তারা এই উপমহাদেশে এমন একটি শিক্ষা ব্যবন্থার কেবল একদল শিক্ষিত মানসিক গোলাম ও প্রভূ ভক্ত লোক বানাতে চেয়েছিল। করে গেছে তা থেকে আমরা কেবল গোলামি, তাদের সহযোগি, মেরুডন্ডহীন হয়ে বেচে থাকবো। আর এই শিক্ষা ব্যবস্থাকেই আমরা মানসম্মত বলে বিবেচনা করছি। তাদের দেশে এক ধরনের শিক্ষা প্রসার করেছে যাতে করে তাদের সম্রাজকে যুগের পর যুগ টিকিয়ে রাখতে পারে। অন্যদিকে তারাই যে সবউৎক্রষ্ট এই রুপ ভাব ধারা প্রকাশ করতে পারে।


আমাদের দেশে ইংরেজরা যে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করে গেছে তাকে বাস্তবাদী বলে বিবেচনা করে থাকি। তারা কেবল একদল শিক্ষিত মানসিক গোলাম ও প্রভু ভক্ত লোক বানাতে চেয়েছিল। যারা কেবল জাতিগত ভাবে ভারতীয় থাকবে কিন্তু মানসিকতা ইংরেজ শাশকের সহায়ক হয়ে থাকবে। আমাদের দেশের ৫০ বছরে




একটা দেশের ভবিষ্যৎ চাহিদা, সমস্যা, সংকট ও সম্ভাবনা মাথায় রেখে গড়ে তোলা হয় সে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। একজন নাগরিককে তার ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও পেশাগত জীবনের দায়িত্ব পালনে সক্ষম করে তোলাই এ ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য। আর এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে পরিকল্পিত কর্মকাঠামো তৈরি করা হয়, সেটা হলো কারিকুলাম বা পাঠ্যক্রম। পাঠ্যক্রমে থাকে সিলেবাস বা শিক্ষার্থীরা কী পড়বে তার তালিকা, শেখানোর নিয়ম–কানুন ও মূল্যায়ন পদ্ধতি।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

নটিফিকেশন ও নোটিশ এরিয়া